Home Videos Photos News & media Blogs Contact    
News and Articals

সাংসদকে সশস্ত্র পাহারা দিয়ে নিয়ে গেলেন দলের কর্মীরা

Edit Date:2/3/2013 12:00:00 AM

 

 
রাজশাহীর পুঠিয়ায় পৌর ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন শেষে স্থানীয় সাংসদ আবদুল ওয়াদুদ গতকাল সশস্ত�

রাজশাহীর পুঠিয়ায় পৌর ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন শেষে স্থানীয় সাংসদ আবদুল ওয়াদুদ গতকাল সশস্ত্র অনুসারীদের নিয়ে এলাকা ত্যাগ করেন। পুলিশের সামনেই সাংসদের অনুসারীরা প্রকাশ্যে লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র হাতে মহড়া দেন। এর আগে সকালে সাংসদের অনুসারীরা দলীয় প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালান। সাংসদের গাড়ি ইনসেটে

ছবি: প্রথম আলো

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় গতকাল রোববার আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যাওয়ার পথে স্থানীয় সাংসদ আবদুল ওয়াদুদের সমর্থকদের হামলায় আরেক পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরপর পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল অন্য পক্ষ। তবে সম্মেলন শেষে পুলিশের সামনে দিয়ে সশস্ত্র পাহারা দিয়ে সাংসদকে নিয়ে যান তাঁর লোকজন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে পুঠিয়া কলেজ মাঠে পুঠিয়া পৌর আওয়ামী লীগ ও পুঠিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জি এম হিরার পক্ষের নেতা-কর্মীরা সম্মেলনস্থলে যাওয়ার সময় বেলা সাড়ে তিনটার দিকে পুঠিয়া থানার সামনে তাঁদের ওপর হামলা চালান রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সাংসদ ওয়াদুদের পক্ষের লোকজন। এতে অন্তত ১০ জন কর্মী আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় রহিদুল ইসলাম (৩০) ও অনি ইসলামকে (৩০) পুঠিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এই হামলার খবর পেয়ে কলেজ মাঠে সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা করা হয়। তবে পরে ভোটাভুটি না করেই কমিটি ঘোষণা করা হয়। পৌর আওয়ামী লীগে আবু বাক্কারকে সভাপতি ও শাহরিয়ার রহিমকে সাধারণ সম্পাদক এবং পুঠিয়া ইউনিয়নে ফয়েজ আমিনকে সভাপতি ও জুয়েলকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, থানার সামনে থেকে ফিরে এসে জি এম হিরার লোকজন উপজেলা পরিষদের অদূরে রাজশাহী-নাটোর মহাসড়কে অবস্থান নেন। এই পথে বেলপুকুর থেকে সাংসদের পক্ষের লোকজন সম্মেলনস্থলে যাওয়ার সময় জি এম হিরার লোকজন ধাওয়া দিলে তাঁরা পালিয়ে যান। পরে বিকেল পাঁচটার দিকে লাঠিসোঁটা ও অস্ত্র হাতে নেতা-কর্মীদের পাহারায় সম্মেলনস্থল ত্যাগ করেন সাংসদ ওয়াদুদ। জি এম হিরার অভিযোগ, পকেট কমিটি করার জন্য সাংসদ আবদুল ওয়াদুদ আগেই নীলনকশা তৈরি করেছিলেন। এ জন্য সম্মেলনে যাওয়ার পথে তাঁদের ওপর হামলা করেন সাংসদের লোকজন। পরে সাংসদ নিজের পছন্দের লোকদের নিয়ে নিজের মতো করে কমিটি ঘোষণা করেছেন।
এ বিষয়ে সাংসদ ওয়াদুদ প্রথম আলোকে বলেন, জেলার নেতারা ছিলেন। নিয়মতান্ত্রিক উপায়েই কমিটি করা হয়েছে।
অপর পক্ষের ওপর হামলার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে সাংসদ বলেন, ‘নিজেদের মধ্যে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।’

 

Terms & Conditions © Copy right by Awami Brutality 2010